১৭ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার

শিরোনাম

নোয়াখালীর প্রশাসন মাসওয়ারা খায় : আবদুল কাদের মির্জা

আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০২১

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই আবদুল কাদের মির্জা। যিনি সাম্প্রতিক সময়ে তার বিভিন্ন বক্তব্যের জন্য আলোচনায় উঠে এসেছেন। তাকে নিয়ে হচ্ছে সমালোচনা।

তিনি ১৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী। এবার বড় ভাই ওবায়দুল কাদের প্রসঙ্গে মির্জা কাদের বলেছেন, ‌‘ওবায়দুল কাদের সাহেব আমার ওপর রাগ করবে, তাতে আমার কিছু আসে যায় না।’

আজ শনিবার বসুরহাট পৌরসভার উপজেলা পরিষদের সামনে নির্বাচনী পথসভায় এসব কথা বলেন মির্জা কাদের। সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খিজির হায়াত, ইসকান্দার বাবুল, আজম পাশা চৌধুরী রুমেল।
গত ৩১ ডিসেম্বর থেকে হঠাৎ বিভিন্ন সভায় তার বক্তব্য নিয়ে দেশের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। এসব বক্তব্যে সুষ্ঠু নির্বাচন ও জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি যথাযথভাবে করার দাবি জানান তিনি। দলের বিভিন্ন পর্যায়ের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধেও সরব হন। এসব দাবিতে
৩ জানুয়ারি সমর্থকদের নিয়ে বসুরহাটের জিরো পয়েন্ট এলাকা অবরোধ করেন কাদের মির্জা। টায়ার জ্বালিয়ে হাতে ঝাড়ু নিয়ে বিক্ষোভ দেখান তার সমর্থকেরা। সেই সময় কাদের মির্জা দাবি করে বলেন, অসুস্থতা থেকে সুস্থ হয়ে তিনি সব সময় সত্য বলার পণ করেছেন।

ছোট ভাই আবদুল কাদের মির্জার বক্তব্য প্রসঙ্গে গত ৬ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, দলীয় সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া কেউ দলে অপরিহার্য নয়। কোনো বিশেষ ক্ষেত্রে কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। দলের শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে যে কোনো সিদ্ধান্ত দলীয় সভাপতি নিতে পারবেন।

ওই দিনই (৬ জানুয়ারি) মির্জা কাদের জামাইরটেকে নির্বাচনী পথসভায় বলেন, ‘আমি বললে অপরাধ। ধমকায়-গুলি করবে, ঝাঁজরা করে দিবে। কিন্তু আমি এসবকে ভয় পাই না। আমি ওবায়দুল কাদেরকেও ভয় পাই না। দল থেকে বহিষ্কার করে দেওয়া হলেও আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি ছেড়ে যাব না।’

আজ শনিবার মির্জা কাদের বলেন, কোম্পানীগঞ্জে আজ অস্ত্রের ঝনঝনানি চলছে। কবিরহাট ও ফেনীতে এক বাড়িতে নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্র করছে। গত দুইদিন আগে চট্টগ্রাম থেকে অবৈধ অস্ত্র এনেছে, আমি প্রশাসনকে জানিয়েছি। নোয়াখালীর প্রশাসন মাসওয়ারা খায়।

জেলা প্রশাসককে অভিযুক্ত করে তিনি বলেন, একজন এমপির নামযুক্ত মাস্ক কীভাবে আপনি পরেন। আপনি তো নিরপেক্ষ নন। ওবায়দুল কাদের সাহেব আমার ওপর রাগ করবে, তাতে আমার কিছু আসে যায় না। আমি আর কত সময় ধৈর্য ধরব।